ভোট এলেই নারী ভোটারদের নিয়ে নানা সমীকরণ আর হিসাব-নিকাশ হয় কৃষি প্রধান জেলা নাটোরে। এ জেলার জনসংখ্যার ৪৯ শতাংশ নারী হলেও বরাবরই পিছিয়ে কর্মসংস্থানের সুযোগ থেকে। সেই সঙ্গে কৃষি অর্থনীতিতে নারীরা ওতপ্রোতও ভাবে জড়িত থাকলেও তাদের ভাগ্যে মেলে না স্বীকৃতি।
উত্তরের কৃষি বৈচিত্র্যের জেলা নাটোর। জেলার ২০ লাখ জনগোষ্ঠীর অন্তত ৪৯ শতাংশই নারী। তাই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটের ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়ায় নারী ভোটাররা।
সদর উপজেলার নারী কৃষক উর্মিলা রানী মন্ডল। আসছে নির্বাচনে কৃষিবান্ধব জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হোক এমনটা চাওয়া তার। অন্যান্য নারী কৃষকদের প্রত্যাশা- যে সরকারই আসুক কৃষি উপকরণের মূল্য যেন কমে আসে।
স্থানীয় নারী কৃষকরা জানান, ‘তারা ভোট দিয়ে সরকার নির্বাচন করেন যাতে সরকার তাদের দিকে নজর দেয়। তারা নতুন সরকার গঠন করবে সরকার যেন তাদের সহায়তা করেন এ প্রত্যাশাই তাদের।’
রেশমগুটির উদ্যোক্তা আরিফা আওয়াল রেমশা। নারীদের কর্মসংস্থানে ভূমিকা রাখলেও নানা প্রতিবন্ধকতায় বাড়াতে পারছেন না ব্যবসার পরিধি। তাই নারী বান্ধব কর্মপরিবেশ তৈরিতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে এমন জনপ্রতিনিধি চান তিনি।
উদ্যোক্তা রেমশা বলেন, ‘উদ্যোক্তাবান্ধব কর্মসূচি যেন আসে। সেই সঙ্গে যে সরকারই আসুক তাদের কথার সঙ্গে যেন কাজের মিল থাকে।’
নারী উদ্যোক্তারা জানান, বাসায় বসে যারা কাজ করতে চায় বা আগাতে চায় তারা আরও সাপোর্ট পেলে ভালো হবে। নতুন সরকারের কাছে তাদের চাওয়া নাটোরে আরও বাড়ুক নারী উদ্যোক্তা।
আর সামাজিক নিরাপত্তার পাশাপাশি কর্মসংস্থানমূলক নতুন প্রতিষ্ঠান আর উদ্যোক্তাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টিতে ভূমিকা নেবে নতুন সরকার এমন প্রত্যাশা অনেক নারী ভোটারের।








