ঢাকাশনিবার , ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
আজকের সর্বশেষ সবখবর

অ্যান্টার্কটিকা অভিযানে ইউটিউবার সালাহউদ্দিন সুমন ও তার সহযাত্রী নিলয়

Rajshahi Samachar
ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৬ ৮:০০ অপরাহ্ণ । ৮৯ জন
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালাহউদ্দিন সুমন পৃথিবীর সবচেয়ে শীতল ও দূর্গম মহাদেশ অ্যান্টার্কটিকায় এক ঐতিহাসিক অভিযানে অংশ নিয়েছেন। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন সহযাত্রী নিলয় কুমার বিশ্বাস। অভিযানের সূচনা হয়েছে আর্জেন্টিনার উশুয়াইয়া শহর থেকে, যা বিশ্বের দক্ষিণতম শহর হিসেবে পরিচিত।

এই অভিযানে তারা ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ ও সাউথ জর্জিয়া দ্বীপ পরিদর্শন করবেন। সাউথ জর্জিয়া একটি দুর্গম ব্রিটিশ ওভারসিজ দ্বীপ, যা আর্জেন্টিনার নিকটবর্তী। অভিযানে অংশগ্রহণকারীরা বিশাল পেঙ্গুইন কলোনি, সিল, নানা প্রজাতির সামুদ্রিক পাখি এবং বিরল উদ্ভিদ ও প্রাণীজগত দেখতে পাবেন।

সুমন ও নিলয় এই অভিযানে যুক্ত হয়েছেন নেদারল্যান্ডসভিত্তিক খ্যাতনামা প্রতিষ্ঠান ওশানওয়াইড এক্সপিডিশন এর সঙ্গে, যা মেরু অঞ্চলের অভিযান পরিচালনায় বিশেষভাবে পরিচিত। বিশ্বের ২১টি দেশের অংশগ্রহণকারী এই অভিযানে মিলিত হয়েছেন, যা এটিকে সত্যিকারের বৈশ্বিক অভিযানে পরিণত করেছে।

অভিযানটিকে বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল ও চ্যালেঞ্জিং অভিযানের মধ্যে গণ্য করা হয়। টাইটেল স্পন্সর হিসেবে যুক্ত হয়েছে তার্কিশ এয়ারলাইনস, যা ব্র্যান্ড প্রোমোটর হিসেবে সালাহউদ্দিন সুমনের সঙ্গে অংশীদার। এছাড়া বাংলাদেশের শীর্ষ ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ডট ইন্টারনেট লিডিং স্পন্সর হিসেবে সহযোগিতা করছে।

অভিযান চলাকালীন সুমন দক্ষিণ গোলার্ধে তাঁর অভিজ্ঞতা ধারণ ও ডকুমেন্ট করবেন এবং ফেসবুক ও ইউটিউব চ্যানেলের মাধ্যমে কনটেন্ট শেয়ার করবেন। তাঁর লক্ষ্য হলো বাংলা ভাষায় অ্যান্টার্কটিকাকে দেশের দর্শকদের কাছে তুলে ধরা, যা আগে কোনো বাংলাদেশি কনটেন্ট ক্রিয়েটর করেননি।

নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে সালাহউদ্দিন সুমন বলেন, অ্যান্টার্কটিকা ঘুরে দেখার স্বপ্ন আমার অনেকদিনের। নিজের ভাষায় এই অবিশ্বাস্য মহাদেশকে দর্শকদের সামনে তুলে ধরতে পারছিএতে আমি ভীষণ আনন্দিত। বাংলাদেশ থেকে এর আগে কেউ এমনটা করেনি।

নিলয় কুমার বিশ্বাসও জানান, এই অভিযানের অংশ হতে পেরে আমি সত্যিই খুব আনন্দিত। যে কোনো ভ্রমণপ্রেমীর জন্য অ্যান্টার্কটিকা হলো চূড়ান্ত গন্তব্য। ২৭ বছর বয়সে সেখানে যাওয়ার সুযোগ পাওয়া আমার জন্য অত্যন্ত বিশেষ মুহূর্ত।

এই অভিযান শুধু অভিযাত্রীদের জন্যই নয়, বরং বৈশ্বিক মঞ্চে বাংলাদেশের ডিজিটাল কনটেন্ট নির্মাণের ক্ষেত্রেও একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।